Importance of Indian literature in bengali//Ancient Indian literature UPSC //Literary sources of ancient Indian history//Importance of Indian literature Wbcs, Honours,W.b M.p,H.s Exam//প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় সাহিত্যের উপাদানের গুরুত্ব আলোচনা করো//

 Ancient Indian literature:-ইতিহাস তথ্যশ্রয়ী, তথ্য ব্যাতীত ইতিহাস ,রচনা দুসাদ্ধ ইতিহাসের উপাদান ইতিহাসের জীবন্ত করে তোলে, ইতিহাসের সত্যতা নির্ণয় সাহায্য করে। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তথ্য অবদান অপরিসীম। প্রাচীন ভারতের প্রকৃত ইতিহাস রচনার প্রায় অসম্ভব কারণ গ্রিসের হেরোডোডাস বা থুকিডিডিস এর মতে কোন ঐতিহাসিক ভারতের জন্মগ্রহণ করেনি। তবুও প্রাচীন ধর্মশাস্ত্র, সাহিত্য ও অন্যান্য লেখনি থেকে প্রাচীন ভারতের কিছুটা আভাস পাওয়া যায় ।প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যের সমৃদ্ধ হওয়ার সত্বেও ইতিহাস জাতীয় গ্রন্থ প্রায় নেই বললেই চলে । তাই ঐতিহাসিক দের ইতিহাস জাতীয় গ্রন্থ রচনা করতে হলে বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করতে হয় ।

    ঐতিহাসিক Toddবলেছেন “much disappainted has been felt in europe at  the sterlity of the historical more of Hindustan”  পণ্ডিতগণের পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের ফলে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের উপাদান সংগৃহীত হয়েছে। যার মধ্যে সাহিত্যিক উপাদান অন্যতম। সাহিত্যিক উপাদান কে দুই ভাগে বিভক্ত-ক) দেশি সাহিত্য খ) বিদেশি সাহিত্য 


   
Ancient Indian literature :-দেশি সাহিত্য:-

                  
                 প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে দেশি সাহিত্য একটি উল্লেখযোগ্য সুদূরপ্রসারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে ।প্রাচীন যুগে সমসাময়িক ঐতিহাসিক গ্রন্থের একান্ত অভাব থাকার জন্য এগুলিকে অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হয় ।প্রাচীন গ্রন্থগুলি বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। 

                
Ancient Indian literature:-বৈদিক সাহিত্য:-


                  ভারতীয় সাহিত্যের মধ্যে বৈদিক সাহিত্যের কথা সর্বপ্রথম উল্লেখ করা প্রয়োজন। বৈদিক সাহিত্য থেকে আর্যদের রাষ্ট্র ,সমাজ ,অর্থনীতি, ধর্ম বিশ্বাস প্রভৃতি সম্পর্কে জানা যায় । বেদকে ভিত্তি করে বৈদিক সভ্যতার সৃষ্টি হয় । ঋক, সাম ,যজুঃ ,অর্থব এই চারখানি বেদ নিয়ে বৈদিক সাহিত্য গড়ে উঠেছে। তবে ঋকবেদ সবথেকে প্রাচীনতম বেদ হিসেবে পরিচিত । বেদে আর্যদের আগমন ,ক্রমবিস্তার, সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনের পরিবর্তনের কাহিনী বর্ণিত আছে। চারখানি ছাড়াও ব্রাহ্মণ, অরণ্যক, উপনিষদ ও  বৈদিক সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। 
  

 Ancient Indian literature:-মহাকাব্য:-   


            ভারতের ইতিহাস রচনায় মহাকাব্যেদ্বয়ের  গুরুত্ব অপরিসীম ।রচনাকাল সম্পর্কে সুনিশ্চিত মতামত দেওয়া সম্ভব না হলেও বৈদিক সাহিত্যের উপর এর স্থান। 90,000 শ্লোক সম্বলিত মহাভারত পৃথিবীর বৃহত্তম কাব্য হিসাবে  পরিচিত। এর রচয়িতা ছিলেন কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এবং 24,000 শ্লোক সম্মিলিত গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন বাল্মিকী। সাধারণভাবে মনে করা যেতে পারে যে, রামায়ণ পূরবর্তী এবং মহাভারত পরবর্তী যুগের রচনা। সম্ভবত রামায়ণ খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীর পূর্বে এবং মহাভারত খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় বা দ্বিতীয় শতাব্দীতে রচিত হয়।  রামায়ণের রাম -রাবণের যুদ্ধ প্রকৃতপক্ষে আর্য -অনার্যের সংঘর্ষ এবং সিংহল পর্যন্ত আর্য সভ্যতা বিস্তারের পর কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য স্থাপনের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।

 

পুরান:-


         খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীর পূর্বেকার ইতিহাস রচনার প্রধান উপাদান পুরান।আজ পর্যন্ত অষ্টাদশ পুরাণের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে এবং এদের মধ্যে মৎস্য ,বায়ু ,ভগবত ,এবং ভবিষ্য পুরাণের  কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য । পুরাণের আলোচ্য বিষয়বস্তু প্রাচীন কাহিনী এবং ধর্মীয় অনুশাসনের সংক্ষিপ্তসার ।রাজাদের বংশতালিকা পুরাণে স্থান পায় ।কিন্তু বিষয়বস্তুর ব্যাপকতা থাকলেও বিবরণের অসংগতির এবং প্রক্ষিপ্ত বিষয়ে নির্বিচারে অনুপ্রবেশের ফলে  ঐতিহাসের উপাদান হিসেবে পুরাণের প্রকৃতমূল্য খুবই সামান্য। তবে বৈদ্ধ ও জৈন্য সাহিত্য পুরাণের অনেক বিবরণ সমর্থিত হওয়ার ইতিহাস রচনায় এদের গুরুত্ব একেবারে অপরিসীম বলা যায়না।

 

বৌদ্ধ ও জৈন্য সাহিত্য:-


                ইতিহাসের উপাদান হিসেবে বৌদ্ধ সাহিত্যের মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য সিংহল অর্থাৎ বর্তমান শ্রীলংকার প্রাপ্ত দ্বীপবংশ  এবং মহাবংশ এবং ভারতের বৌদ্ধ সাহিত্যের অমূল্য জাতক । দীপবংশ ও মহাবংশে মৌর্য সম্রাট অশোকের জীবনী প্রধান স্থান অধিকার করে ।কিন্তু অজ্ঞতানামা লেখকে রচিত দীপবংশ পুনরাবৃত্তি দোষে দুষ্ট‌। মহামান রচিত মহাবংশ বর্ণনার দিক থেকে অধিক সংহত এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ। মগধের অভুথ্বান সংক্রান্ত বিষয়ে অবহিত হওয়া যায়। বৌদ্ধগ্রন্থ’দীর্ঘনিকায়’ও ‘অদ্দুরওর নিকায়’থেকে অশ্বঘোষের’বুদ্ধচরিত’বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস রচনার কাজে সাহায্য করে।
                জৈন সাহিত্যের প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার কাজে ব্যবহৃত হতে থাকে। জৈন গ্রন্থ ‘ভগবতী সূত্র’ খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে ভারতের রাজনৈতিক অবস্থা সম্বন্ধে ওয়াকিংহাল হতে আমাদের সাহায্য করে ।বিশাখা দত্তের ‘মুদ্রারাক্ষস’ গ্রন্থটি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কর্তৃক নন্দবংশ ধ্বংস করে মগধের সিংহাসনে চন্দ্রগুপ্তের অধিষ্ঠিত বৃস্তিত বিবরণ সরবরাহ করে থাকে ।চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সম্পর্কে হেমচন্দ্রের লেখা ‘পরিশিষ্ট পাবন’ গ্রন্থটি ইতিহাস রচনায় কাজে লাগে ভদ্রোবাহু রচিত ‘কল্পসূত্র’ মহাবীরের  জীবন -কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।

 

অন্যান্য সাহিত্য:-


               এছাড়া ও অন্যান্য সাহিত্যের মধ্যে মৌর্য ও মৌর্য পরবর্তী যুগের সাহিত্যগুলির উল্লেখযোগ্য এগুলির মধ্যে ঐতিহাসিক দিক থেকে সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য হল কৌটিল্যের ‘অর্থশাস্ত্র’ প্রাচীন ভারতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসের ক্ষেত্রে ‘অর্থশাস্ত্র’একটি প্রামাণ্য দলিল। এছাড়া দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ পাণিনির ‘অষ্টাধ্যায়ী’ এবং পতঞ্জলির ‘মহাভাষ্য’।
               গুপ্তযুগে এর সমস্ত শাস্ত্র গ্রন্থগুলি ছাড়াও অন্যান্য সাহিত্যিক উপাদানের সংখ্যা কম নয়। সমুদ্রগুপ্তের সভাকবি এলাহাবাদ প্রশস্তির রচয়িতা হলেন একজন কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ। তার লেখনী থেকে সমুদ্রগুপ্তের ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া এই যুগের কাব্য ও নাটক উভয় ক্ষেত্রে কালিদাস স্বচ্ছ পারে বিচরণ করেছেন। তার নাটক ‘অভিজ্ঞানমশকুন্তলম’ এবং রঘুবংশম্ মেঘদূত’ কাব্যটি সংস্কৃত ভাষায় মূল্যবান সম্পদ।
               গুপ্ত পরবর্তী যুগের ইতিহাসের জন্য পুরাণের মতো কোন গঞ্জনা থাকার মূলত জীবনীগ্রন্থ এবং আঞ্চলিক ইতিহাসের ওপর নির্ভর করতে হয়। জীবনী গ্রন্থের মধ্যে কৃষাণ যুগের অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য ।বাণভট্টের হর্ষচরিত এক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ।এছাড়া বাকপতির ‘গৌড়বাহু’ ও বিহ্লনের বিক্রমাঙ্কদেব রচিত, সন্ধ্যাকরনন্দীর ‘রামচরিত ‘উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।

 

  বৈদেশিক সাহিত্য:-


                    শুধুমাত্র ভারতীয় সাহিত্যে রচনা প্রাচীন ভারতের ইতিহাস কে সালিক্য মন্ডিত করেনি। ভারতবর্ষের প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় বিদেশিদের অবদান রয়েছে ।বিদেশীরা ভারতে ভ্রমণ করতে কিংবা ধর্ম প্রচার করতে এসে লিখে গেছেন তাদের চোখে দেখা বিবরণী ।বিদেশী লেখক ও পর্যটকদের মধ্যে রোমান্স চিন গ্রীসদেশীয় অববতীয় ওআরবের মুসলমানগন প্রধান স্থান গ্রহণ করে। তাদের অনেকে জনশ্রুতির ওপর নির্ভর করে গ্রন্থ লিখেছেন ।ইতিহাসের উৎস হিসাবে বিদেশিদের রচনা বিশেষভাবে মূল্যবান। কারণ বিদেশিদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিচার বিশ্লেষণের দ্বারা প্রত্যেক জাতি নিজের সভ্যতার কৃতিত্বের সঠিক মূল্যায়ন করতে সমর্থ হয়।



গ্রিক লেখকগন:-


             বিদেশি লেখকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন ঐতিহাসিক হেরোডোডাস এবং টেসিয়াস । তারা কখনোই ভারতের আসেনি কিন্তু সম্ভবত পারস্যের লোকেদের কাছ থেকে ভারত সম্পর্কে নানারুপ সংগ্রহ করেন ।উপকথা ও রুপকথার সঙ্গে হেরোডোডাস ইতিহাসের অনেক তথ্য আলোচনা করেন ।তাঁর রচিত থেকে parsare থেকে পারস্য কর্তৃক উত্তর-পূর্ব ভারত আক্রমণ ও জয়ের কথা জানা যায়। কিন্তু টেসিয়াস এর রচনার ঐতিহাসিক মূল্য খুব সামান্য ।তাঁর রচিত ‘ইন্ডিকা’ বহু বিচিত্র এবং অবিশ্বাস্য বিবরণে পূর্ন।
             আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় যে সমস্ত লেখকগণ এদেশে আসেন তাদের লেখা ইতিহাসের সত্যতা সম্পর্কে দ্বিমতের অবকাশ খুবই কম। তাছাড়া আলেকজান্ডারের  উত্তর-পূর্ব ভারতে আক্রমণের কথা ভারতের সাহিত্য কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। সেজন্য আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের ইতিহাসের তথ্য সম্পর্কে পুরোপুরি ভাবে গ্রিক লেখকদের উপর নির্ভর শীল।গ্ৰীক লেখকদের মধ্যে তিনজন-নির্ষাকাস,অ্যারিষ্টোবুলাস,ও অনেসএিটাস খুবই খ্যাতি অর্জন করে।তাবে ভারতের ভাষা, আচার ব্যবহার প্রভৃতি সম্পর্কে তাঁদের গ্যানের সীমাবদ্ধতাএবং  একটি  বিশেষ আএবলের মধ্যে তাদের পরিচয় সীমিত ছিল বলে তাদের এুটিমুক্ত হতে পারেনি। 

 

পরবর্তীকালে গ্রিক ও রোমান লেখক:-

 

          মৌর্য যুগের খ্রীষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে পলিবিয়াস রচিত General History বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্যাকট্রিয় গ্রিকদের ইতিহাসের অনেক উপাদান এই গ্রন্থ থেকে সংগ্রহ করা যায়। প্রাচীন ভারতের ভৌগোলিক বিবরণ ও প্রাকৃতিক ইতিহাসের বিবরণ সহ যেসব গ্রন্থ রচিত হয় তাদের মধ্যে অজ্ঞাতনামা গ্রিক নাবিকের লেখার ‘পেরিপ্লাস অফ দি এরিথ্রিয়ানসি ‘ভারতের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
               খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে টলেমি ভারতের ভূগোলের ওপর একখানি গ্রন্থ রচনা করেন। অপরের কাছ থেকে উপাদান সংগ্রহ করার জন্য এই গ্রন্থের অধিকাংশ বিবরণে ত্রুটিপূর্ণ। রোমান লেখকদের মধ্যে প্লিনি কুইন্টাম, কান্টিয়াস,রুকাস এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ।খ্রিস্টীয় প্রথম শতকের প্লিনির  natural history রচিত হয়।

 

চিন পর্যটকগণ:-

 

         প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের উপাদান সংগ্রহের ব্যাপারে গ্রিকদের মতো চীনের লেখকগণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেন। চীনের ইতিবৃত্ত এবং অন্যান্য গ্রন্থদির সাহায্যে মৌর্যওর যুগের ইতিহাসের অনেক তথ্য জানা যায় ।চীনের পর্যটকগণ তাদের ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সবিস্তারে বর্ণনা করেন। এসব পর্যটকদের মধ্যে পঞ্চম শতাব্দীর ফা-হিয়েন এবং সপ্তম শতাব্দীর ইউ -এন -সাং ,আর সিং এর নাম উল্লেখযোগ্য। ফা-হিয়েন এবং ইউ- এন -সাং স্থানীয় ভাষার সঙ্গে পরিচিত ছিলেন এবং ভারতের অনেক স্থানে ভ্রমণ করার সুযোগ পান।।
         401 খ্রী: থেকে 410খ্রী: পর্যন্ত ফা-হিয়েন ভারতের অবস্থান করেন। তিনি তার ফো-কোয়াকু গ্রন্থে 40 টি অধ্যায়ে বৌদ্ধ রাজ্য গুলির বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন ।চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ও নিঃসন্দেহে সর্বশেষ্ঠ ।তিনি হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে ভারতে আসেন এবং সি -ইউ -কি নামে এক ঐতিহাসিক গ্রন্থ রচনা করেন। তীব্বর্তীয় ও ঐতিহাসিক তারানাথ ‘ভারতে বৌদ্ধধর্মের জন্ম’ নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন ।সাধারণভাবে এই গ্রন্থে বৌদ্ধধর্ম এবং পাল রাজাদের ইতিহাস বর্ণিত আছে।

 

আরবিয় সাহিত্য:-

 

         এছাড়া অষ্টম শতাব্দীতে মুহাম্মদ বিন কাসিম কর্তৃক সিন্ধুদেশে জয়ের পর ভারত সম্পর্কে আরব পর্যটকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। আরব পর্যটকদের মধ্যে সুলেমান মাসুদির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ আলবিরুনী রচিত তহ-কক-ই হিন্দ গ্রন্থে গণিতশাস্ত্র, পদার্থবিদ্যা ,জাতিশাস্ত্র, সামাজিক আচার- ব্যবহার চিন্তাধারা বিশেষভাবে আলোচিত ।
          পরিশেষে বলা যায় যে ,প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে সাহিত্যিক উপাদানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাহিত্য ইতিহাসের রূপ বৈচিত্র ও ঐতিহ্যকে জীবন্ত করে তোলে। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম করা যায় না।

Leave a Comment

Translate »