মিনান্দর/মিলিন্দ পঞ্চাহ || Minindar panchaho

মিনান্দর/মিলিন্দ পঞ্চাহ:-ইন্দ্রোগ্রিক শাসকদের মধ্যে মিনান্দার বিশেষ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন পুরুষ ছিলেন স্টোর, পুটকির, জার্সিন সকল ঐতিহ্যকেই তার কথা লিখেছেন। তাদের সাহিত্য রচনায় ভারতের বৌদ্ধ গ্রন্থ মিলিন্দ পঞ্চহর মলিন্দ এবং তিনি অভিন্ন ইতিহাসের উপাদান প্রসঙ্গে বলা হয়েছে। তার স্মৃতি সময়ের সীমা লঙ্গন করেছিলেন খ্রী: একাদশ শতাব্দীতে হ্মেমন্দ্র অবদান’কল্পলতাকে’ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে।

মিলিন্দ পঞ্চোহ অনুসারে আলাসান্দা দীপের অন্তর্গত কালাসাইয়ে মিনান্দারের জন্ম হয়। এই স্থানটি সকল (শিয়াটকোট)থেকে 200 মাইল দূরে অবস্থিত ছিল।কালাসাই কোথায় তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। তবে আলাসান্দা যে ভারতীয় ককেশাসের দক্ষিণের আলেকজান্ডার প্রতিষ্ঠিত আলেকজান্দ্রিয়া তাতে বিশেষ সন্দেহ নেই। নাগসেন বিরচিত বিরচিত এই পলি গ্রন্থ অনুসারে গৌতম বুদ্ধের পরিনির্মাণের 500 বছর পরে তার জন্ম হয় ।কিন্তু এই বিবরণ মুদ্রা সমর্থনে পাওয়া যায়না ।মুদ্রা থেকে মনে হয় তিনি আরও আগের মানুষ ছিলেন। সাধারণত খৃষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীর মধ্যভাগে তার স্থান নির্দিষ্ট করা হয় ।সরকার তাকে আরও কিছুকাল পরে স্থাপন করতে চান। তার মতে খ্রিস্টপূর্ব 115 – 90 অব্দে তিনি রাজত্ব করেন।

কোন কোন ঐতিহাসিক মতে মনে করেন যে, মিনান্দার পুষ্যমিত্র শুঙ্গ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন।ড: সরকার এই মতের বিরোধিতা করেছিলেন কেননা গার্গী সংহীতা অনুসারে এই যখন আক্রমণ করেছিল মৌর্য শাসক সালিশখের রাজত্বের পড়ে এবং হয়তো খ্রিস্টপূর্ব 187 অব্দে সিংহাসন আরোহণের পূর্ব এবং নিশ্চিতভাবে ডেস্ট্রয়াসের মৃত্যুর পরে মিলান্দরের রাজত্ব শুরু হয়েছিল।

মিনারের রাজধানী সাকল বা শিয়ালকোট হোয়াইট এর মতে পাহাড়া অঞ্চল তার অপর একটি গ্রীষ্মকালীন রাজধানী ছিল। তার সময় ইন্দ্র -গ্রিক শক্তি সর্বোচ্চ সীমা স্পশ্র করেছিলেন। পূর্ব কাবুল উপত্যকা থেকে পূর্বে রাভী নদী পর্যন্ত এবং উভয়ে সোয়াটি উপত্যকা থেকে দক্ষিনে আরাকোসিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

মিনান্দর/মিলিন্দ পঞ্চাহতে বলা হয়েছে যে মিনান্দার শুধু বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন না। তিনি নিজেই বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন ।তার অনেকগুলি মুদ্রার মহারাজস্ব ,এতরস সেনাদ্রস এই কথাগুলি আছে বৌদ্ধ গ্রন্থ পঞ্চহতে বৌদ্ধধর্মের কিছু বিতর্কিত দিক ও বেশ কিছু সমস্যার ব্যাপারে রাজা মিলিন্দ সঙ্গে নাগসেন এর মধ্যে কথোপকথন থেকে মিনান্দরের বাস্তব কাল দিকটি ফুটে উঠেছে। গ্রন্থটি থেকে জানা যায় যে মিনান্দারের আমলে ইন্দ্রগ্রিক শাসকদের ক্ষমতা সর্বোচ্চ শিখরে উঠলে আনুমানিক 130 খ্রিস্টপূর্ব তার মৃত্যুর পর গ্ৰীকশাসকদের পতনের গতি তরান্তিন হয়েছিল ।বোধহয় এই পর্বে গ্রিকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংঘাতের পিছনে দায়ী ছিল।

Leave a Comment

Translate »